Skip to main content

Posts

Showing posts with the label kotha

এভাবেই থাকি! দরকার তো নেই চেচিয়ে বলার। Sandip Chandra Das

  থাক্‌ নাহ্‌ কি দরকার চেচিয়ে বলার! আপনার পকেটের নিচের সেই হৃদপিন্ডের লাব-ডাব করে উচ্চারিত ভাষাটা আমি তো এভাবেই খুব সহজেই ডি-কোড করে নিতে পারছি। আপনি বলতে চাচ্ছেন বা বলছেন আর আমি শুনে নিচ্ছি। ব্যাস্‌ এটাই অনেক। রহস্য এভাবেই বাড়তে থাকুক। কি দরকার আছে পৃথিবীশুদ্ধ বুঝিয়ে বেড়াবার, নিজের ভালোলাগা বলে বলে তালিকাবদ্ধ করে রাখার। এর থেকে বরং আপনি আমাকে এভাবেই প্রতিদিনের চুপ থাকা সময়ে রেখে দিন। আমিও আপনাকে এভাবে রেখে দেই। দুজনে দুজনকে রাখি কেবল- চায়ের কাপের বাষ্পতে, ফুলের সুবাসে, ঘুমের গভীরে, হাসির কারণে, মন খারাপ দূরীকরণের কৌশলে, তারা দেখার মুহুর্তে, লোডশেডিং এর সময়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে শোনা গানে, লিখে না পাঠানো চিঠির খামের ভেতরে । দুজনকে দুজনে রেখে দেই সময়ের জন্য তুলে। কৃষ্ণচূড়া কিংবা কাঠগোলাপের মৌসুমে একদিন না হয় খুব কাছে এসে রহস্যভেদ করব। আজ না বলি। দুজনে দুজনের রহস্য থাকি। যেমন না পড়া বইয়ের মাঝে থাকে, লেখকের লেখি যাওয়া তার নিজস্ব অনুভুতির গাঢ় রহস্য কিংবা যেভাবে অনাবিষ্কৃত সভ্যতা থাকে লুকিয়ে মাটির তলায়। এভাবেই না হয় থাকি।     দরকার কি চেচিয়ে বলার! বরং দুজনে দুজনের চোখে ভে...

চুক্তি । তোমায় জড়িয়ে ধরার চুক্তি । Sandip Chandra Das

  চুক্তি । হুশ্‌! এত কথা কেন? কোনো কথা হবে না। চুক্তি কি একেবারেই মনে নেই নাকি তোমার! হ্যাঁ? ভুলে গিয়েছো? তোমার আমার সাথে কিন্তু চুক্তি ছিল, যে চুক্তি কখনোই ভাঙ্গা যাবে না। হোক তোমার অসহ্য রকমের মন খারাপের অসুখ। থাকলে থাক তোমার আকাশের মতো বিশাল অভিমান। কিংবা পাতালের মতো গভীর রাগ। পরিস্থিতি যেমনই হোক, সম্পর্ক যেই পর্যায়েই হোক না কেন!! আমি কিন্তু তোমার হতে কথা নিয়েছিলাম আমি জড়িয়ে ধরলে তুমি সেখানেই থেমে যাবে। তুমি রাগ করো কিংবা যাচ্ছে তাই করো; এখন ব্যাস্‌ চুক্তি কথা মনে করো। তো কোন কথাই আর হবেনা। কেননা আমি আমার একমাত্র ও অতীব প্রিয় অধিকারটি মনে প্রাণে প্রয়োগ করছি। তাই কোন কথা হবে না। আর হলেও মানছি নাহ্‌ মোটেও আমি ।আমি এখন তোমায় মানানোর চেষ্টা করছি। তুমি না মানা অবধি, আমি হার একেবারেই মানছি নাহ্‌! আমি আছি। তোমার হাঁসি ঠোঁটে ফুটে উঠার আগ অবধি এভাবেই আমি আছি। আমিও দেখি এই রাগের হিমবাহ কতক্ষন পরে আমি গলাতে পারি।

আহামরি কেউ নই। Sandip Chandra Das

  জীবনের এক ধাপে এসে এমন একবার অন্তত মনে হয় যে আমরা কিছু মানুষের জন্য যোগ্য নই। এটা এই কারণে নয় যে আমাদের বিপরীতে থাকা মানুষ খুব খারাপ আর আমরা খুব ভালো বা অসাধারণ কিছু একটা। এটা মূলত সেই সময় যখন আমরা প্রথম অনুভব করি, আসলে আমরা খুব আহামরি কেউ নই। এটা সেই সময় যখন নিজের দেখা বড় স্বপ্নগুলো নিজের কাছেই সত্যিকার অর্থে এতটাই বড় মনে হয় যে তার বাস্তবতা নিজের কাছেই একটা স্বপ্ন মনে হতে লাগে। যখন কিনা জীবনের অর্থ ভিন্ন কিছু হতে শুরু করে। নতুন নতুন মানুষের উপস্থিতি অস্বস্তিকর লাগতে থাকে। সকালের ঘুম থেকে উঠাটি জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ মনে হতে লাগে। মনে হয় ব্যাস্‌ এখন থেমে যাওয়ার সময়। এটা সেই সময় যখন নিজের সাথে নিজের বেশি সময় থাকা হয়। নিজের সব সত্যগুলো জানার কাজ শুরু হতে থাকে। যখন বয়সের হতে বেশি বড় হয়ে যাই। এটা সেই সময় যখন আমরা জেনে যাই যে সত্যিকার অর্থেই " আমি কেউ আহামরি কেউ নই"। শুধুমাত্র সেই বহুদূরের কোনো একটি তারার মতো যেটাকে চমকাতে পৃথিবীর সৃষ্টির সময় হতে আজ অবধি দেখাই যায় নি। তবে সে ছিল, এখনো আছে। যেটির থাকা কিংবা না থাকাতে কিছুই আসে যায় না, কারোই আসে যায় না। ব্যাস এমন একটি তারার মতো...

খোঁদা আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। Sandip Chandra Das

  হে খোঁদা আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। আমি বলেছিলাম । আমিই বলছি হে খোঁদা। আমায় বানিও নাহ্‌। আমি জানি, আমি খুব বেশি সফল হয়ে গেলে অহংকার হয়ে যাব। আমি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাব। আমি তার সামনাসামনি সেদিন বুক ফুলিয়ে চলে যাব। গিয়ে চোখে চোখ রেখে তাকে বুঝিয়ে দিব, তার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। ভুল ছিল, অসফল বলে তার ছেড়ে যাওয়া। ভুল ছিল আমায় সুযোগ না দেওয়া । ভুল ছিল আমায় কিছুই নাহ্‌ ভাবা। ভুল ছিল তার ভুল করাটা। তাই বলছি খোঁদা আমার সেই মন হতে বলা কথা তুমি শুনতেই পাওনি এমনভাবে ভুলে যাও । আমি যেন সফল খুব বেশি না হই খোঁদা। আমি তাহলে অহংকারী হয়ে যাব। তার চোখে চোখ রেখে, নিজের চোখ থেকে পরে যাব। তাই ; হে খোঁদা - আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। আমায় তার সামনাসামনি হওয়ার সুযোগ দিও নাহ্‌। তুমি তাকে তার মতই অসম্ভব সুন্দর রাখো। আমাকে তার হতে দূর হতেও দূরে রাখো।

কি করে তোকে এসব জানাই বল? । Sandip Chandra Das

ব্যাস্ত আজকাল তোকে নিয়ে আমার সব ইচ্ছে দল। সুখের কলোহল । ঠোঁটের চলাচল। মনের সুরের দল। কি করে তোকে এসব জানাই বল? আমি পারি কি পেতে তোকে একবার নিজের মতো করে হাতের ফুল খোঁপায় গুজে দিতে। গালের ভাঁজে ছুঁয়ে নিতে। এছাড়া তোর হাতে হাত রেখে রেখায় নিজেকে বসিয়ে নিতে। আমার আমাতে তোকে তোর মতো করে মিলিয়ে নিতে। সাজিয়ে নিতে। গুছিতে নিতে। নিজের করে নিতে। কি করে তোকে এসব জানাই বল?

আয় হায়

  আমি না পারছি তার হতে, আর না পারছি তাকে অন্য কারোর হতে দিতে। আয় হায়!

প্রত্যাখ্যান করে দিবেন

  আপনি মানুষটি বড্ড দামি! জানি আপনি অহংকার করেন না তবুও বলছি আমি যখন কম দামী সেই ফুটপাতের ফেরি হতে একপাতা কালো টিপ, মেলা হতে কেনা দু-মুঠো কাচের চুড়ি আর তিনদিন লাগিয়ে লেখা পাঁচ লাইনের লেখা যুক্ত সাদা এ-ফোর সাইজের কাগজটি দু-ভাজ করে দেওয়ার জন্য হাত বাড়িয়ে দিব তখন, মুচকি হাসি দিয়ে প্রত্যাখ্যান করে চলে যাবেন। ফিরেও তাকাবেন না, ধরে নিবেন; ধরার মতো গুরুত্বপূর্ণ মানুষই আমি নাহ্ . . . কি পারবেন না? পারলে খুশি হবো!

কাছের মানুষ

  মাঝে মাঝে কাছের মানুষটিকে খুঁজে বের করতে ঠিক ততটা সময়ের কয়েকগুণ বেশি সময় লেগে যায়, যতটা সময় কিনা লাগে খুব দূরের মানুষটিকে খুঁজে পেতে। আর, আমি আর আপনি হয়তো কারোর সেই কাছের মানুষটিই তাই একটু বেশি লেগে যাচ্ছে।

আমার শেষ লেখা হবে একটি গান

-    আমার শেষ লেখাটি হবে একটি গানের কথা। এমন একটি গানের কথা যা আগে কেউ লিখেনি আর কেউ সেই গানের কথায় সুরও দেয়নি। আমি চাই সে গানের কথাটি তুমি খুঁজে পাও। তারপর নিজের ইচ্ছেমত সুর দিবে। আর রোজ শেষ বিকালে একমনে সেই গানের কথায় সুর বেধে- তোমার মত করে তুমি তোমার গান মনে করে গাইবে। আর সেটিই হবে আমার শেষ লেখার, শেষ পরিনতি আর শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি।

একতরফার বিশেষত্ব।

  এর হতেও শুদ্ধতম ব্যাপার কি হতে পারে, যে আপনি কাউকে খুব পছন্দ করেন তবে যাকে এতটা পছন্দ করেন, সে আসলে জানেই নাহ্ আপনি ঠিক কতটা পছন্দ করেন। আপনি আপনার সবটুকু দিয়ে তাকে চাচ্ছেন, ভাবছেন। চাওয়াটাও এমনই; যেখানে অন্যকারো বাড়ন করার কারণ নেই, আর ভাবনাটাও এমন ধরনের যাতে ভালো ও পবিত্র ভাবনা ছাড়া অন্যকিছু নেই। আর সবচেয়ে সুন্দর বিষয়টা তো এটা যে, আপনি অজস্র রাত শুধু এই ভেবে স্বপ্ন দেখতেই থাকবেন- হয়তো সেও চায় আপনাকে, কিন্তু আপনার মতোই ছটফট করছে; কথাটি জানানোর জন্য তবে বলতে পারছে না, জানাতে পারছে না! আপনি প্রতিটি দিনের শুরু করবেন একটু মুচকি হেসে এইভেবে যে, আজ হয়তো কিছু এমন হবে যার কারণে আপনার প্রিয় মানুষটি বলবে তার পছন্দের কথা তাও আবার তার সবচেয়ে পছন্দের মানুষটি অর্থাৎ আপনার কাছে। জানাবে তার এতদিনের সেই জানাতে না পারা,আপনার জানতে চাওয়া সেই  অসম্ভব প্রিয় কথাটি ' আমি তোমাকে পছন্দ করি'। আর এর থেকে আনন্দের আর কি হতে পারে বলুন দেখি!🖤

ভাবনাটাতো এমনও হতে পারতো তোমার !

  তোমার চিরুনীতে উপড়ে যাওয়া চুল নই যা ফেলেই দিতে হবে। আমায় তো তুমি শুকিয়ে যাওয়া ফুলও ভাবতে পারো, যেটাকে বছরের পর বছর রেখে দেওয়া যায়, সংরক্ষণ করা যায়, লুকিয়ে রাখা যায় কোনো প্রিয় বইয়ের মাঝখানে।

লেখা । সন্দীপ চন্দ্র দাস

  আমি ভালোবেসে লেখি, ভালোবাসার জন্য লিখিনা ! 

এতটা মিষ্টি বোধহয় একারণেই!

তোমার মুখে যেমন মধু তেমনি চোখের চাহনিতে কি চিনির সিরা গুলানো? 

হাঁসি গুলিয়েছো কি চা'য়ে?

  তুমি প্রতিদিন প্রতিবার হাসিমুখে আমার জন্য চা আনবে আর আমি তা পান করে বলবো, বাহ্ অসাধারণ!!  আজ চায়ে কি চিনির বদলে তোমার হাঁসি গুলিয়েছো। এতো মিষ্টি!  🥰

হাতের রেখা

  কারো সঙ্গে হাত এখানে সাবধানে মিলিও। কে জানে, কোন রেখা, কে নিয়ে চলে যায়!       

হয়তো কাছের মানুষটা হার মেনে নিত

  আসলে সম্পর্কে কোন ঝগড়াটি, সম্পর্ক শেষ করে দেওয়ার মতো ঝগড়া তা যদি আগেই জানা যেত তাহলে নিঃসন্দেহে সত্যিকারের কাছের মানুষগুলো অবশ্যই বিপরীতে থাকা মানুষের কাছে সেই ঝগড়াগুলোতে প্রতিবার অনায়াসে হার মেনে নিত।         

তাই চলতে থাকো

  হাটতে থাকার দুটোই নিয়ম হয় প্রিয় ; কখনো নিজেকে হারিয়ে পথে হাটতে হয়,  কখনো আবার পথ হারিয়ে নিজের সঙ্গে হাটতে হয়।