Skip to main content

Posts

তুমি আমার ঈশ্বরের মতই সুন্দর । Sandip Chandra Das

  চাঁদ পুড়িয়ে কি বানিয়েছো কাজল? ফুলের নির্যাসে করেছো বুঝি স্লান? বসন্তকাল পুষেছো বোধহয় এই হাঁসিতে? লুব্ধক তারা টুকরো করে সাজিয়েছো কি ঝুমকোতে? বৃষ্টির পরের রঙধনু দিয়ে বেঁধেছ চুল? ওহ! ঘাসের গাঁয়ের কুয়াশা দিয়ে বানিয়েছো উজ্জ্বল নাকফুল? কৃষ্ণগহ্বরের আকর্ষণ র্শক্তি নিয়েছো বুঝি ধার? তুমি, পুরো আমার ঈশ্বরের মতই সুন্দর হয়ে এসেছো ! তুমি আমার আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ আনার প্রিয় দূত হয়ে এসেছো।

তোমায় , আমার ভাববার জ্বর বাড়েই রোজ রোজ । Sandip Chandra Das

  তোমায় আমার ভাববার জ্বর বাড়েই রোজ রোজ, আমিও কেন জানি মনে করে ঔষুধ ভুলে থাকি।                                                                                                                              তোমার হাত ছুঁয়ে দেখবে কপালের উত্তাপ, এই অসম্ভব ইচ্ছে পুষে রাখি। মনের আঙ্গিনায় তোমার আসার ঋতু সাজিয়ে রাখি, চোখের ঘরে তোমার প্রতিবিম্বকে ঘুম পারিয়ে নিজের করে রাখি। ব্যস্ত থাকি তোমায় মনে করে, ক্লান্ত হই তোমায় ভালোবাসার কাজ করে। যদি হয় কখনো এমন! - এসে ডাকে প্রেমের মৌসুম; আমি হাত ধরে রাখবো তার - যখনই হবে বৃষ্টি, এই ভীষণ জ্বর...

নিখোঁজের চিঠি । Sandip Chandra Das

৪ই জুন ২০২২ইং ১১/২ মেঘ নিবাস কল্পনা নগর,ইচ্ছেপুর। প্রিয় নীলাদ্রী ; আশা রাখছি ভীষণ ভালোই আছেন। হঠাৎ করেই আপনাকে মনে করা আর বিরক্ত করা। আমি খুবই লজ্জিত। আসলে মস্ত বড় একটি বিপদে পড়েই আপনাকে মনে করা। আসলে ব্যাপারটি হলো, গতকিছু দিন ধরেই আমাকে পাওয়া যাচ্ছে না। মানে যাকে বলে নিখোঁজ। অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়েছে, হচ্ছে। তবুও কোনো জায়গা থেকেই কোনো প্রকার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক মনে করার চেষ্টা করার পর, খেয়াল হলো; ঐ যে সেদিন আপনার দেখা আমার সাথে আচমকায় রাস্তার ধাঁরে। দুজনেই দুদিকের পথ হতে একে অন্যের দিকে আসা। তারপর খানিকক্ষণ আলাপচারিতা করা। আশা করছি, আমি আপনাকে মনে করাতে পেরেছি আর আপনারও সেদিনটির কথা মনে আছে। মূলত আমি খেয়াল করে দেখলাম সেই শেষবারই আমাকে দেখা গিয়েছিল। তারপরই আমাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। আমার ও আমার একান্তই কাছের মানুষদের ধারণা আমি আপনার মধ্যে হারিয়ে গিয়েছে। তাই আপনার কাছে অনুরোধ একটু দেখবেন কি! যে আমাকে আপনি ভুলবসত নিয়ে গিয়েছেন কিনা। আমার মনেই হচ্ছে আমি আপনার কাছে চলে গিয়েছি, ইচ্ছে করে নিজেকে আপনার দ্বারা চুরি করিয়েছি। তাই বলছিলাম কি!! নিজের ভেতরে একটু দয়া করে খুঁজে দেখবেন কি? ইতি -...

খোঁদা আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। Sandip Chandra Das

  হে খোঁদা আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। আমি বলেছিলাম । আমিই বলছি হে খোঁদা। আমায় বানিও নাহ্‌। আমি জানি, আমি খুব বেশি সফল হয়ে গেলে অহংকার হয়ে যাব। আমি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাব। আমি তার সামনাসামনি সেদিন বুক ফুলিয়ে চলে যাব। গিয়ে চোখে চোখ রেখে তাকে বুঝিয়ে দিব, তার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। ভুল ছিল, অসফল বলে তার ছেড়ে যাওয়া। ভুল ছিল আমায় সুযোগ না দেওয়া । ভুল ছিল আমায় কিছুই নাহ্‌ ভাবা। ভুল ছিল তার ভুল করাটা। তাই বলছি খোঁদা আমার সেই মন হতে বলা কথা তুমি শুনতেই পাওনি এমনভাবে ভুলে যাও । আমি যেন সফল খুব বেশি না হই খোঁদা। আমি তাহলে অহংকারী হয়ে যাব। তার চোখে চোখ রেখে, নিজের চোখ থেকে পরে যাব। তাই ; হে খোঁদা - আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। আমায় তার সামনাসামনি হওয়ার সুযোগ দিও নাহ্‌। তুমি তাকে তার মতই অসম্ভব সুন্দর রাখো। আমাকে তার হতে দূর হতেও দূরে রাখো।

কি করে তোকে এসব জানাই বল? । Sandip Chandra Das

ব্যাস্ত আজকাল তোকে নিয়ে আমার সব ইচ্ছে দল। সুখের কলোহল । ঠোঁটের চলাচল। মনের সুরের দল। কি করে তোকে এসব জানাই বল? আমি পারি কি পেতে তোকে একবার নিজের মতো করে হাতের ফুল খোঁপায় গুজে দিতে। গালের ভাঁজে ছুঁয়ে নিতে। এছাড়া তোর হাতে হাত রেখে রেখায় নিজেকে বসিয়ে নিতে। আমার আমাতে তোকে তোর মতো করে মিলিয়ে নিতে। সাজিয়ে নিতে। গুছিতে নিতে। নিজের করে নিতে। কি করে তোকে এসব জানাই বল?

তোমায় ভালো লাগে । Sandip Chandra Das । Photostory

তুমি খুব নতুন কিছু ভেবে না লিখতে পারলে, না লিখো। আমি লিখছি "তোমায় ভালোলাগে"। এক কাজ করো, তুমি এটাই দেখে দেখে হুবুহু কয়েকশত বার আমার জন্য লিখো।

আমি প্রতিদিন চুরি হয়ে যাই । সন্দীপ চন্দ্র দাস

  তার চোখের শব্দ কানে আসে, ঠোঁটের নিরবতা চোখে পরে । তবুও আমি থেমে থাকি, তার চোখে আমি কতটা বিশেষ তা চোখ ফিরিয়ে মাপতে থাকি। পরিচয় ছাড়া ভীষণ পরিচিত তার আমি; আমি অপেক্ষায় আছি এক যুগ ধরে, আমার নাম জানাবো তাকে আমি। সে আমায় প্রতিদিন একটু একটু করে আড়াল হতে চুরি করে- আমি প্রতিদিন তার সামনে ইচ্ছে করে হাজির হয়ে চুরি হয়ে যাই। ঐ দেয়ালের কাছে একদিন যাব আমি জানবো আমায় নিয়ে তার লুকিয়ে বলা সব গল্প কাহিনী ।

লাল খালি ডাকবাক্স 📮

  লাল খালি ডাকবাক্স 📮 ফেলে আসা এক যুগ আগের চিঠির অপেক্ষা আমি আজো করি । আজো সেই চিঠির খামের উপর ছিটিয়ে দেওয়া বেলী ফুলের সুগন্ধির মিষ্টি সুগন্ধ হাতের তালুতে খুঁজে পাই। ফেলি দেইনি সেই কলমটিকেও যা দিয়ে কিছু বর্ণ সেই চিঠিতে লেখা হয়েছিল। একথা নিজেকে এখনও জিজ্ঞাসা করলে অদ্ভুত রকমের আনন্দ লাগে, শরীরে একধরনের শিরশির অনভূতি সঞ্চালিত হয়, অবশ হয়ে আসে শরীরের শিরায় চলমান উষ্ণ রক্তের চলাচল, আশেপাশের দুঃখের সমাহারে মনে হয় দুঃখ আবার কি? যখন জিজ্ঞাসা করি নিজেকে- আচ্ছা কেন লিখেছিলাম সেই চিঠিটি। তাও আবার এমন কারো কাছে যার কাছে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। জানা আমার ছিল জবাব আসবে না কখনোই উল্টো ক্রমে, সেই প্রাপকের ঠিকানা হতে এই প্রেরকের ঠিকানাতে। তবুও গোটা বিশেক পাতা ছিঁড়ে, ধুমড়ে মুচড়ে নষ্ট করে, ঘরকে নোংরা করে। পুরো মাস জুড়ে যেই খাতায় বিদ্যালয়ের কঠিন বিষয়গুলো লিখে পাড় করার ছিল, সেখানে আমি একদিনে পুরো অর্ধেক ব্যয় করেছি এক পাতার লেখার জন্য। কেন জীবনের প্রথম প্রিয় লিখেছিলাম কাউকে? কেন অতটা সুন্দর করে খামের মাপে মাপে ভাঁজ করে চিঠিটিকে করেছিলাম ভাঁজ? আমায় তো এই নিয়ম কেউ শিখায় নি! হঠাৎ করেই কেন এতটা জ্ঞানী হয়ে উঠে...

আজীবনের অসুখ । Sandip Chandra Das

 -  এ-তো জনাব কাউকে পছন্দ করার সেই ভীষণ ভয়ংকর অসুখের লক্ষণ। যা জীবনে একবার হয় আর তারপর আজীবন থেকে যায়। এমন ভয়ংকর অসুখ বাধালেন কি করে, হ্যাঁ? সেড়ে উঠার সম্ভবনা নেই। এছাড়াও শুনেছি এ অসুখে ভালোলাগা মানুষটির যত্ন নেওয়ার অভ্যাস জন্মে যায়। তবুও বলব কষ্ট করে হলেও নিজের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ঠিক আছে!

এই দিন শেষ, আর ঐ ঘুমিয়ে থাকা রাত শুরু হতে আর আছে কিছুক্ষণ । Sandip Chandra Das

  মুগ্ধ হয়ে যাও আবারো কিছুক্ষণ আলাপ আরম্ভ করো আমার সাথে এই দিন শেষ, আর ঐ ঘুমিয়ে থাকা রাত শুরু হতে আর আছে কিছুক্ষণ । কে জানে জীবনে; সামনে কি, কিভাবে আর কোথায় ভাগ্যে জুটবে এমন আরেকটু প্রিয় কিছুক্ষণ । পরিচিত হলেই তো মনে পড়ে বেশি আর কথাবার্তা হয় কম । এই ঠোঁটের বাজে শব্দ বানাও আলাপ চালাও কিছুক্ষণ এই দিন শেষ, আর ঐ ঘুমিয়ে থাকা রাত শুরু হতে আর আছে কিছুক্ষণ ।

আমার মনের মন্দিরের ঈশ্বর হয়েছে নারাজ | Sandip Chandra Das

  পাপগুলো অনেক আগে রেখে দিয়ে মনে, গিয়েছি ভুলে রেখেছি কোনখানে এখন শতাব্দি পরে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে পঁচে মনের মন্দিরে ঈশ্বর হয়েছে নারাজ। আগুন লাগিয়ে আমি দমকলকে দিয়েছি ভুল ঠিকানা আমার শহর আমি জ্বালাচ্ছি চোখের জল ঝড়িয়ে নিভাতে কাউকে দিব না। দরজায় খিল দিয়েছি সেঁটে এই দিলাম ঘুম জেগে জেগে না ঘুমানো ঘুম যেন না ভাঙ্গে, আমার শহরে যেন নুপুর না বাজে। আমার শহরকে দেও জ্বলতে আমায় দাও ঘুমাতে দুর্গন্ধগুলো রাখতে দাও আড়ালে। ঘুমাতে দাও আমায় জেগে জেগে । আমার মনের মন্দিরের ঈশ্বর হয়েছে নারাজ।

তারপর । Sandip Chandra Das

  আমি যেদিন তাঁর মুখোমুখি হব,সেদিন এক জীবন সময় নিয়ে হাজির হব। অজস্র গল্পের সংগ্রহ নিয়ে হাজির হব। তাঁর প্রিয় হাঁসির মতো উজ্জ্বল এক জোড়া কাঁচের চুড়ি নিয়ে , তাঁর চোখের মণির মতো ভীষণ কালো রঙ্গের দু-পাতা আমার পছন্দের টিপ নিয়ে হাজির হব। তারপর ! তারপর ! তারপর?

জাদুর লেখা | Sandip Chandra Das

 #আলাপচারিতা🌸 (জাদুর লেখা) আমি কি চাই আসলেই জানতে চাইছেন?  - হুম! আপনি কি চান?  এটা কিন্তু খুব সহজ একটি প্রশ্ন তবে এর উত্তর খুব জটিল। - তাই?  হুম তাই!  - সে যাইহোক! জটিল হলেও হোক, কঠিন হলেও হোক অথবা জটিল কঠিন উভয়ই হোক। আমি উত্তরটি জানতে চাইছি। তো জানাবেন কি? হ্যাঁ হ্যাঁ! জানাবো জানাবো! তবে!   - তবে কি? বলুন!  জানতে হলে ধৈর্যশীল হতে হবে। আপনার দ্বারা কি তা সম্ভব?  - আপনার কি মনে হচ্ছে? আমি বুঝি ধৈর্যশীল নই? সত্যি বলব নাকি মিথ্যে?  - মিথ্যে বলুন৷  আচ্ছা! তাহলে আমার মনে হয়ে খুব পারবেন৷  - হা হা হা! আপনি বলুন আমি পারব!  এটা কি মিথ্যের বিপরীতে মিথ্যে বললেন?  - হা হা হা নাহ্! আপনি হয়তো জানেন না আমি কতটা ধৈর্যশীল হতে পারি।  আচ্ছা দেখা যাবে!  - তো বলুন! শুনি। ধৈর্যশীল হয়েই শুনি।  ঠিক আছে তাহলে শুনুন। আমি আসলে জাদুর লেখা লিখতে চাই।  - জাদুর লেখা!! এ আবার কেমন লেখা?  এটা লেখকের লেখা!  - মানে? দুঃখিত, তবে আমি বুঝলাম না!  বলেছিলাম নাহ্ এটি এক সহজ প্রশ্ন তবে উত্তর জটিল!  - তো সহজ ভাবে কি বল...

শুধু শুধু চলে যাচ্ছেন কেন? । Sandip Chandra Das

  আমায় দেখে হঠাৎ এত সুন্দর হাসি বন্ধ করে শুধু শুধু চলে যাচ্ছেন কেন? ওহ দেখে ফেলেছি বলে? এখন চোখ অপরাধ করেছে আর আমায় কষ্ট দিবেন? এটা আবার কোথাকার নিয়ম? হুম! যাবেননা দয়া করে! বলছিলাম যে, এই চোখ তো ইত্যিমধ্যেই দেখে ফেলেছে সেই স্বর্গীয় হাসি। এখন আর লুকিয়ে রাখার মানে কি? একটু দাঁড়িয়ে যান! একটু প্রশংসা করার সুযোগ তো দিন, তারপর নাহয় মৃত্যুদন্ডই দিয়ে দিবেন। অন্তত বলা তো যাবে, স্বর্গীয় হাসি চুপিচুপি দেখার অপরাধে মৃত্যুদন্ড পেয়ে নরকে এসেছি।

মৃত্যু তুমি যদি আসো সরাসরি আসো

  মৃত্যু তুমি যদি আসো সরাসরি আসো। কাপুরুষের মতো কোনো অসুখ রূপধারী ছদ্মবেশী হয়ে নয়। আমরা মধ্যবিত্তরা তোমায় আলিঙ্গন করে নিব। আর যদি ছদ্মবেশী হয়ে আসো তাহলে চোখ বন্ধ হওয়া অবধি অভিশাপ দিতে থাকবো। মৃত্যু আমাদের ভয় নয়, মৃত হয়ে বেঁচে থাকাটা আমাদের কাছে ভয়ের। তাই বলছি কোনো অযুহাত নয়। তুমি আসো ! শীগ্রই আসো তবে সরাসরি আসো। তুমি বীরের মতো আসো । তোমার আসাটা তো আর অনিয়ম কিছু নয়,আমরা জানি আসবে, তোমাকে আসতেই হবে তো............ ভয় নেই ! তুমি বীরের মতো আসো ।

এই শিকড় পৌঁছে গিয়েছে মনের তলদেশে। আলাপচারিতা

  # আলাপচারিতা 🌸 আচ্ছা তাহলে আজ উঠি! - এখনই? মাত্র বিকেল পাড় হলো আপনার সাথে, কথা তো ছিল সন্ধ্যে পাড় করার। - হ্যাঁ! তবে যেতে হবে। কেন? ভালো লাগছে না আপনার আমার সাথে বসে? কথা বলে? নিজের প্রিয় কৃষ্ণচূড়া গাছের নিচে বসে নদী দেখতে? - হুম ভালো লাগছে! বরং আপনার সাথে বসে সময় কাটাতে ভীষন ভালো লাগছে। তাহলে চলে যেতে চাচ্ছেন যে? - ভয় করছে! ভয়! কিসের ভয়? - এই যে ভীষন ভালো লাগার ভয়। যদি মনে গেঁথে বসে থাকে, যদি মনের লোভ জন্ম হয়ে যায়, যদি অভ্যাস হয়ে যায়- এভাবেই থাকার। হলে বুঝি খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যাবে আপনার? - হুম! তখন নিজেকে আটকে রাখা সম্ভব হবে না! তখন এই সুখ বারবার ভোগ করতে ইচ্ছে করবে। আচ্ছা আপনি নিজেকে এত আটকে রাখেন কেন? মাঝে মাঝে নিজেকে অনিয়ন্ত্রিত রাখাটা কি খুব খারাপ কিছু? - হয়তো না! তাহলে? আপনি এমন করেন কেন? [মোহ এক বার জন্মে গেলে, তাও আবার কোনো মানুষকে ঘিরে জন্ম নিলে, তখন মনের ইচ্ছেরা মুক্ত হয়ে যায়। আর ইচ্ছেরা তখন যাচ্ছে তাই রকমের বিষয় আশা করে, কল্পনা করে। তা পূরণ না হলেই শুরু হয় মনের রোগ, চোখের রোগ, ঠোঁটের রোগ। জমে যায় বিষাদের স্তুপ৷ আর আমি (মুগ্ধ) তা কখনোই চাই না। আমি জানি আ...