Skip to main content

Posts

আপনাকে সংগ্রহ করার শখের তাহলে কি হবে? Sandip Chandra Das

দেখুন!! কিছু অনেক সুন্দর । কিছু আবার অসম্ভব সুন্দর। কিছুতো আবার অসংজ্ঞায়িত সুন্দর। এমন পয়তাল্লিশটি আপনার ছবি আমার ব্যক্তিগত সংরক্ষণে আছে। যেখানে কিছু ছবিতে আপনি শাড়ি পরেছেন। কিছুতে চুল খোপা বেধেছেন। কিছুতে ছেড়ে রেখেছেন। দু-চারটে ছবিতে হাতে সুন্দর সুন্দর চুড়ি। কপালে টিপ, চোখে কাজলের ছোয়া, আহা অনবদ্য। একেবারে চোখের ও মনের জন্য এক কথায় অমৃত। কয়েকটা রঙ্গিন ছবি, কয়েকটা সাদা-কালো। কিছুতে হাসিমুখে এদিকে তাকিয়ে আছেন, কিছুতে অন্যদিকে। কয়েকটাতে তো সাথে প্রকৃতি আছে, কয়েকটা ছবি এমনও যার মধ্যে ফোকাসে শুধু আপনি। সব মিলিয়ে এখন অবধি পয়তাল্লিশটি। তো বলছিলাম যে আর ছবি ছাড়ছেন না কেন? আপনাকে সংগ্রহ করার শখের তাহলে কি হবে? All reactio

নিজের হতে নিজেকে বাদ দেওয়া কঠিন | আত্মকথন | Note | Sandip Chandra Das

 নিজের মাঝে নিজের একটা অংশ আছে যেই অংশটি, সব চায়। সব পেতে আগ্রহী। সবার কাছাকাছি হতে ইচ্ছুক। সকলের প্রিয় হতে প্রয়াসী। নিজের হতে নিজের অনেক উচ্চ আকাঙ্খা। আর সে কিছু ঘটার আগেই সব নিজের মতো করে শুধু সুন্দর আর সুন্দর, গোছানোভাবে সব ভেবে রাখে। যার ধারণা সব তার হতে পারে। সব সে করতে পারে। যে অল্পতে সব ভুলে না। যে ভাবে সে ভুল নয়। ভুল হতে পারেনা। ভাবে তাকে চাওয়াটাই, পৃথিবীতে থাকা বাকি সবার জন্য প্রয়োজন।  এছাড়াও যে জানে কেবল সত্য বলটাই সত্য। যুক্তি দিলেই জয় হয়। না হেরে যাওয়া মানেই অন্য কাউকে জয় করা। যেকিনা জানে সে অহংকারী নয়। ভীষণ সাহসী। অসম্ভব ভালো। সে প্রশংসার যোগ্য। এই একটা অংশ, পুরোপুরি অংশের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ রাখে। অল্প বয়সে এই অংশের সব চিন্তা ভালো লাগে। তবে, বয়স বাড়ে। ভুল সঠিকের ঊর্ধ্বেও কিছু থাকে তা বারবার, কোনো ঐশ্বরিক কিছু বোঝাতে থাকে। মনে হয় অনেক পাওয়ার পর, অনেক খালি হয়ে যাচ্ছি। অযোগ্য হয়ে যোগ্যতার মুকুট পড়ে ঘুরছি। তখন এই অংশটি যে কতটা আলাদা তা নজরে আসে।  আসলে নিজের এই অংশটাকে একসময় নিজের কাছে আর রাখতে ভালো লাগেনা। এক প্রকার অসহ্য লাগে। তবে নিজের হতে নিজেকে আলাদা করাটা ক...

আমার শুধু মনে হয়েছে এমন হতে নেই। Sandip Chandra Das

  আমি নিজের অনেক সত্য লুকিয়ে রেখেছি। যা কেন জানি প্রকাশ করার সাহস হয়নি। হয়তো কখনো নিজের সাথে যুক্তিতর্কে পেরে উঠতে পারিনি। হারিয়ে উঠতে পারিনি নিজেকে নিজের কথা দিয়ে। শুধু মনে হয়েছে………… এমন হতে নেই। তবে আমি জানাতে চাই। জানাতে চাই। আমিও কান্না করতে জানি, পারি আর প্রায় সময়ই করিও। তবে সকলে সামনে নয়। উল্টো কখনো কখনো তো নিজের হতেও আড়াল করে কাঁদি। অন্ধকারে। আলোরও আড়ালে।    কখনো আমার জনাতে এটাও মনে হয়। চিৎকার করে সেই সকল মানুষদের জানাই যারা নিজের কথাগুলো আমায় বলে আর মনে করে তাদের মতো অবস্থা আমার কখনই হয়নি। যারা মনে করে আমি খুব সাহসী। আমি তাদের জানাতে চাই……… আমিও এখন অনেক হাল ছেঁড়ে দেই। প্রায়সই তো হাঁফ ছেঁড়ে বাঁচাবারও তীব্র চেষ্টা করি। আর চেষ্টাটাও এমন যে প্রতিবার সবচেয়ে সেরা ভাবে।   এছাড়া আমারো ইচ্ছে হয় নির্লজ্জ হয়ে বলত একজনকে যে তাকে আমি ভালোবাসি। তবে কেন তার সঠিক ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই । ইচ্ছে করে হাত ধরে বসে থাকি, উড়ে আসা চুলকে নিজ হাত দিয়ে ঠিক করে গুজে দেই কানের পাশে। হেসে হেসে বলি তার সুন্দর হাসির কথা। নিজেকে প্রকাশ করি এমন করে যেন তার মনে হয় আমি মিথ্যে বলছি...

এভাবেই থাকি! দরকার তো নেই চেচিয়ে বলার। Sandip Chandra Das

  থাক্‌ নাহ্‌ কি দরকার চেচিয়ে বলার! আপনার পকেটের নিচের সেই হৃদপিন্ডের লাব-ডাব করে উচ্চারিত ভাষাটা আমি তো এভাবেই খুব সহজেই ডি-কোড করে নিতে পারছি। আপনি বলতে চাচ্ছেন বা বলছেন আর আমি শুনে নিচ্ছি। ব্যাস্‌ এটাই অনেক। রহস্য এভাবেই বাড়তে থাকুক। কি দরকার আছে পৃথিবীশুদ্ধ বুঝিয়ে বেড়াবার, নিজের ভালোলাগা বলে বলে তালিকাবদ্ধ করে রাখার। এর থেকে বরং আপনি আমাকে এভাবেই প্রতিদিনের চুপ থাকা সময়ে রেখে দিন। আমিও আপনাকে এভাবে রেখে দেই। দুজনে দুজনকে রাখি কেবল- চায়ের কাপের বাষ্পতে, ফুলের সুবাসে, ঘুমের গভীরে, হাসির কারণে, মন খারাপ দূরীকরণের কৌশলে, তারা দেখার মুহুর্তে, লোডশেডিং এর সময়ে কানে হেডফোন লাগিয়ে শোনা গানে, লিখে না পাঠানো চিঠির খামের ভেতরে । দুজনকে দুজনে রেখে দেই সময়ের জন্য তুলে। কৃষ্ণচূড়া কিংবা কাঠগোলাপের মৌসুমে একদিন না হয় খুব কাছে এসে রহস্যভেদ করব। আজ না বলি। দুজনে দুজনের রহস্য থাকি। যেমন না পড়া বইয়ের মাঝে থাকে, লেখকের লেখি যাওয়া তার নিজস্ব অনুভুতির গাঢ় রহস্য কিংবা যেভাবে অনাবিষ্কৃত সভ্যতা থাকে লুকিয়ে মাটির তলায়। এভাবেই না হয় থাকি।     দরকার কি চেচিয়ে বলার! বরং দুজনে দুজনের চোখে ভে...

চুক্তি । তোমায় জড়িয়ে ধরার চুক্তি । Sandip Chandra Das

  চুক্তি । হুশ্‌! এত কথা কেন? কোনো কথা হবে না। চুক্তি কি একেবারেই মনে নেই নাকি তোমার! হ্যাঁ? ভুলে গিয়েছো? তোমার আমার সাথে কিন্তু চুক্তি ছিল, যে চুক্তি কখনোই ভাঙ্গা যাবে না। হোক তোমার অসহ্য রকমের মন খারাপের অসুখ। থাকলে থাক তোমার আকাশের মতো বিশাল অভিমান। কিংবা পাতালের মতো গভীর রাগ। পরিস্থিতি যেমনই হোক, সম্পর্ক যেই পর্যায়েই হোক না কেন!! আমি কিন্তু তোমার হতে কথা নিয়েছিলাম আমি জড়িয়ে ধরলে তুমি সেখানেই থেমে যাবে। তুমি রাগ করো কিংবা যাচ্ছে তাই করো; এখন ব্যাস্‌ চুক্তি কথা মনে করো। তো কোন কথাই আর হবেনা। কেননা আমি আমার একমাত্র ও অতীব প্রিয় অধিকারটি মনে প্রাণে প্রয়োগ করছি। তাই কোন কথা হবে না। আর হলেও মানছি নাহ্‌ মোটেও আমি ।আমি এখন তোমায় মানানোর চেষ্টা করছি। তুমি না মানা অবধি, আমি হার একেবারেই মানছি নাহ্‌! আমি আছি। তোমার হাঁসি ঠোঁটে ফুটে উঠার আগ অবধি এভাবেই আমি আছি। আমিও দেখি এই রাগের হিমবাহ কতক্ষন পরে আমি গলাতে পারি।

একেবারেই নয় । Status । Lekhalekhi। Sandip Chandra Das

  { একেবারেই নয় } এই যে অসুন্দরী শোনো!! -হ্যাঁ ! তুমি আমায় ভালোবাসতে শেখাতে পারবে? আর একবার শিখে গেলে তোমায় ভালোবাসতে দিবে? ভালোবাসি বলতে দিবে? - কেন? আমি জেনেছি একদিনে স্বপ্নে , ভালোবাসা পেলে আর ভালোবাসলে মানুষ সুন্দর হয়ে যায়। - হয়তো ! তবে তাতে কি? নাহ্‌ তাতে তেমন কিছু নেই হয়তো তবে আমি তোমাকে দেখাতে চাচ্ছিলাম তুমি কতটা অসম্ভব সুন্দর হতে পারো। আর সুন্দরের পাশে থেকে আমি কতটা সুন্দর হতে পারি। তো শেখাবে? - তুমি আগ্রহী হলে শেখাবো। ভালোবাসতে দিবে তারপর? - ভালোভাবে শিখতে পারলে নাহয় দিব। ভালোবাসি বলতে দিবে? - তোমার ভালো লাগলে নাহয় বলবে। । । । । বাহ্‌। তোমায় তো এই মুহুর্তেই ব্রহ্মান্ডের সবথেকে সুন্দরী মনে হচ্ছে। । - এর মানে তোমার জানা কথা ভুল নয়। একেবারেই নয় । সুন্দরী। । । । । একেবারেই নয় ।

আহামরি কেউ নই। Sandip Chandra Das

  জীবনের এক ধাপে এসে এমন একবার অন্তত মনে হয় যে আমরা কিছু মানুষের জন্য যোগ্য নই। এটা এই কারণে নয় যে আমাদের বিপরীতে থাকা মানুষ খুব খারাপ আর আমরা খুব ভালো বা অসাধারণ কিছু একটা। এটা মূলত সেই সময় যখন আমরা প্রথম অনুভব করি, আসলে আমরা খুব আহামরি কেউ নই। এটা সেই সময় যখন নিজের দেখা বড় স্বপ্নগুলো নিজের কাছেই সত্যিকার অর্থে এতটাই বড় মনে হয় যে তার বাস্তবতা নিজের কাছেই একটা স্বপ্ন মনে হতে লাগে। যখন কিনা জীবনের অর্থ ভিন্ন কিছু হতে শুরু করে। নতুন নতুন মানুষের উপস্থিতি অস্বস্তিকর লাগতে থাকে। সকালের ঘুম থেকে উঠাটি জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ মনে হতে লাগে। মনে হয় ব্যাস্‌ এখন থেমে যাওয়ার সময়। এটা সেই সময় যখন নিজের সাথে নিজের বেশি সময় থাকা হয়। নিজের সব সত্যগুলো জানার কাজ শুরু হতে থাকে। যখন বয়সের হতে বেশি বড় হয়ে যাই। এটা সেই সময় যখন আমরা জেনে যাই যে সত্যিকার অর্থেই " আমি কেউ আহামরি কেউ নই"। শুধুমাত্র সেই বহুদূরের কোনো একটি তারার মতো যেটাকে চমকাতে পৃথিবীর সৃষ্টির সময় হতে আজ অবধি দেখাই যায় নি। তবে সে ছিল, এখনো আছে। যেটির থাকা কিংবা না থাকাতে কিছুই আসে যায় না, কারোই আসে যায় না। ব্যাস এমন একটি তারার মতো...

মন খারাপ । Mon Kharap । Photo Story । Sandip Chandra Das

  মন খারাপ আমার, আমারই সাথে  আর মন খারাপ করে আছি সবার সাথে! 

তুমি আমার ঈশ্বরের মতই সুন্দর । Sandip Chandra Das

  চাঁদ পুড়িয়ে কি বানিয়েছো কাজল? ফুলের নির্যাসে করেছো বুঝি স্লান? বসন্তকাল পুষেছো বোধহয় এই হাঁসিতে? লুব্ধক তারা টুকরো করে সাজিয়েছো কি ঝুমকোতে? বৃষ্টির পরের রঙধনু দিয়ে বেঁধেছ চুল? ওহ! ঘাসের গাঁয়ের কুয়াশা দিয়ে বানিয়েছো উজ্জ্বল নাকফুল? কৃষ্ণগহ্বরের আকর্ষণ র্শক্তি নিয়েছো বুঝি ধার? তুমি, পুরো আমার ঈশ্বরের মতই সুন্দর হয়ে এসেছো ! তুমি আমার আকস্মিক মৃত্যুর সংবাদ আনার প্রিয় দূত হয়ে এসেছো।

তোমায় , আমার ভাববার জ্বর বাড়েই রোজ রোজ । Sandip Chandra Das

  তোমায় আমার ভাববার জ্বর বাড়েই রোজ রোজ, আমিও কেন জানি মনে করে ঔষুধ ভুলে থাকি।                                                                                                                              তোমার হাত ছুঁয়ে দেখবে কপালের উত্তাপ, এই অসম্ভব ইচ্ছে পুষে রাখি। মনের আঙ্গিনায় তোমার আসার ঋতু সাজিয়ে রাখি, চোখের ঘরে তোমার প্রতিবিম্বকে ঘুম পারিয়ে নিজের করে রাখি। ব্যস্ত থাকি তোমায় মনে করে, ক্লান্ত হই তোমায় ভালোবাসার কাজ করে। যদি হয় কখনো এমন! - এসে ডাকে প্রেমের মৌসুম; আমি হাত ধরে রাখবো তার - যখনই হবে বৃষ্টি, এই ভীষণ জ্বর...

নিখোঁজের চিঠি । Sandip Chandra Das

৪ই জুন ২০২২ইং ১১/২ মেঘ নিবাস কল্পনা নগর,ইচ্ছেপুর। প্রিয় নীলাদ্রী ; আশা রাখছি ভীষণ ভালোই আছেন। হঠাৎ করেই আপনাকে মনে করা আর বিরক্ত করা। আমি খুবই লজ্জিত। আসলে মস্ত বড় একটি বিপদে পড়েই আপনাকে মনে করা। আসলে ব্যাপারটি হলো, গতকিছু দিন ধরেই আমাকে পাওয়া যাচ্ছে না। মানে যাকে বলে নিখোঁজ। অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়েছে, হচ্ছে। তবুও কোনো জায়গা থেকেই কোনো প্রকার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক মনে করার চেষ্টা করার পর, খেয়াল হলো; ঐ যে সেদিন আপনার দেখা আমার সাথে আচমকায় রাস্তার ধাঁরে। দুজনেই দুদিকের পথ হতে একে অন্যের দিকে আসা। তারপর খানিকক্ষণ আলাপচারিতা করা। আশা করছি, আমি আপনাকে মনে করাতে পেরেছি আর আপনারও সেদিনটির কথা মনে আছে। মূলত আমি খেয়াল করে দেখলাম সেই শেষবারই আমাকে দেখা গিয়েছিল। তারপরই আমাকে আর পাওয়া যাচ্ছে না। আমার ও আমার একান্তই কাছের মানুষদের ধারণা আমি আপনার মধ্যে হারিয়ে গিয়েছে। তাই আপনার কাছে অনুরোধ একটু দেখবেন কি! যে আমাকে আপনি ভুলবসত নিয়ে গিয়েছেন কিনা। আমার মনেই হচ্ছে আমি আপনার কাছে চলে গিয়েছি, ইচ্ছে করে নিজেকে আপনার দ্বারা চুরি করিয়েছি। তাই বলছিলাম কি!! নিজের ভেতরে একটু দয়া করে খুঁজে দেখবেন কি? ইতি -...

খোঁদা আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। Sandip Chandra Das

  হে খোঁদা আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। আমি বলেছিলাম । আমিই বলছি হে খোঁদা। আমায় বানিও নাহ্‌। আমি জানি, আমি খুব বেশি সফল হয়ে গেলে অহংকার হয়ে যাব। আমি অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাব। আমি তার সামনাসামনি সেদিন বুক ফুলিয়ে চলে যাব। গিয়ে চোখে চোখ রেখে তাকে বুঝিয়ে দিব, তার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। ভুল ছিল, অসফল বলে তার ছেড়ে যাওয়া। ভুল ছিল আমায় সুযোগ না দেওয়া । ভুল ছিল আমায় কিছুই নাহ্‌ ভাবা। ভুল ছিল তার ভুল করাটা। তাই বলছি খোঁদা আমার সেই মন হতে বলা কথা তুমি শুনতেই পাওনি এমনভাবে ভুলে যাও । আমি যেন সফল খুব বেশি না হই খোঁদা। আমি তাহলে অহংকারী হয়ে যাব। তার চোখে চোখ রেখে, নিজের চোখ থেকে পরে যাব। তাই ; হে খোঁদা - আমায় তুমি খুব বেশি সফল বানিও নাহ্‌। আমায় তার সামনাসামনি হওয়ার সুযোগ দিও নাহ্‌। তুমি তাকে তার মতই অসম্ভব সুন্দর রাখো। আমাকে তার হতে দূর হতেও দূরে রাখো।

কি করে তোকে এসব জানাই বল? । Sandip Chandra Das

ব্যাস্ত আজকাল তোকে নিয়ে আমার সব ইচ্ছে দল। সুখের কলোহল । ঠোঁটের চলাচল। মনের সুরের দল। কি করে তোকে এসব জানাই বল? আমি পারি কি পেতে তোকে একবার নিজের মতো করে হাতের ফুল খোঁপায় গুজে দিতে। গালের ভাঁজে ছুঁয়ে নিতে। এছাড়া তোর হাতে হাত রেখে রেখায় নিজেকে বসিয়ে নিতে। আমার আমাতে তোকে তোর মতো করে মিলিয়ে নিতে। সাজিয়ে নিতে। গুছিতে নিতে। নিজের করে নিতে। কি করে তোকে এসব জানাই বল?

তোমায় ভালো লাগে । Sandip Chandra Das । Photostory

তুমি খুব নতুন কিছু ভেবে না লিখতে পারলে, না লিখো। আমি লিখছি "তোমায় ভালোলাগে"। এক কাজ করো, তুমি এটাই দেখে দেখে হুবুহু কয়েকশত বার আমার জন্য লিখো।

আমি প্রতিদিন চুরি হয়ে যাই । সন্দীপ চন্দ্র দাস

  তার চোখের শব্দ কানে আসে, ঠোঁটের নিরবতা চোখে পরে । তবুও আমি থেমে থাকি, তার চোখে আমি কতটা বিশেষ তা চোখ ফিরিয়ে মাপতে থাকি। পরিচয় ছাড়া ভীষণ পরিচিত তার আমি; আমি অপেক্ষায় আছি এক যুগ ধরে, আমার নাম জানাবো তাকে আমি। সে আমায় প্রতিদিন একটু একটু করে আড়াল হতে চুরি করে- আমি প্রতিদিন তার সামনে ইচ্ছে করে হাজির হয়ে চুরি হয়ে যাই। ঐ দেয়ালের কাছে একদিন যাব আমি জানবো আমায় নিয়ে তার লুকিয়ে বলা সব গল্প কাহিনী ।

লাল খালি ডাকবাক্স 📮

  লাল খালি ডাকবাক্স 📮 ফেলে আসা এক যুগ আগের চিঠির অপেক্ষা আমি আজো করি । আজো সেই চিঠির খামের উপর ছিটিয়ে দেওয়া বেলী ফুলের সুগন্ধির মিষ্টি সুগন্ধ হাতের তালুতে খুঁজে পাই। ফেলি দেইনি সেই কলমটিকেও যা দিয়ে কিছু বর্ণ সেই চিঠিতে লেখা হয়েছিল। একথা নিজেকে এখনও জিজ্ঞাসা করলে অদ্ভুত রকমের আনন্দ লাগে, শরীরে একধরনের শিরশির অনভূতি সঞ্চালিত হয়, অবশ হয়ে আসে শরীরের শিরায় চলমান উষ্ণ রক্তের চলাচল, আশেপাশের দুঃখের সমাহারে মনে হয় দুঃখ আবার কি? যখন জিজ্ঞাসা করি নিজেকে- আচ্ছা কেন লিখেছিলাম সেই চিঠিটি। তাও আবার এমন কারো কাছে যার কাছে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। জানা আমার ছিল জবাব আসবে না কখনোই উল্টো ক্রমে, সেই প্রাপকের ঠিকানা হতে এই প্রেরকের ঠিকানাতে। তবুও গোটা বিশেক পাতা ছিঁড়ে, ধুমড়ে মুচড়ে নষ্ট করে, ঘরকে নোংরা করে। পুরো মাস জুড়ে যেই খাতায় বিদ্যালয়ের কঠিন বিষয়গুলো লিখে পাড় করার ছিল, সেখানে আমি একদিনে পুরো অর্ধেক ব্যয় করেছি এক পাতার লেখার জন্য। কেন জীবনের প্রথম প্রিয় লিখেছিলাম কাউকে? কেন অতটা সুন্দর করে খামের মাপে মাপে ভাঁজ করে চিঠিটিকে করেছিলাম ভাঁজ? আমায় তো এই নিয়ম কেউ শিখায় নি! হঠাৎ করেই কেন এতটা জ্ঞানী হয়ে উঠে...

আজীবনের অসুখ । Sandip Chandra Das

 -  এ-তো জনাব কাউকে পছন্দ করার সেই ভীষণ ভয়ংকর অসুখের লক্ষণ। যা জীবনে একবার হয় আর তারপর আজীবন থেকে যায়। এমন ভয়ংকর অসুখ বাধালেন কি করে, হ্যাঁ? সেড়ে উঠার সম্ভবনা নেই। এছাড়াও শুনেছি এ অসুখে ভালোলাগা মানুষটির যত্ন নেওয়ার অভ্যাস জন্মে যায়। তবুও বলব কষ্ট করে হলেও নিজের যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ঠিক আছে!